গত ১৭ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার চন্দ্রনগরের একটি কলোনিতে হঠাৎ ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। দুই দিনে অন্তত ১৭ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। মারা যান আবদুল মতিন (৭৫) নামের এক বৃদ্ধ। আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই ছিলেন একই কলোনির বাসিন্দা। বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁদের পানি সরবরাহের ট্যাংকটি দীর্ঘদিন ধরে অপরিষ্কার ছিল। ট্যাংকের ভেতরে মৃত ইঁদুর ও তেলাপোকাও পাওয়া গেছে।
ওই ঘটনার পর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবং জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা কলোনিতে গিয়ে ট্যাংকের পানি পরীক্ষা করেন। তাঁদের ধারণা, অপরিচ্ছন্ন ট্যাংকের পানি থেকেই ছড়িয়ে পড়েছিল ডায়ারিয়া।
চট্টগ্রামে ডায়রিয়া ও কলেরার সঙ্গে অনিরাপদ পানির ঝুঁকির বিষয়টি এর আগেও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল থেকে ১৫ মে পর্যন্ত মাত্র দেড় মাসে চট্টগ্রামে তীব্র ডায়রিয়ায় ৭ হাজার ৯৫৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চট্টগ্রাম নগরের পাশাপাশি বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা ও চন্দনাইশে তখন রোগী বেড়েছিল। ওই প্রাদুর্ভাব নিয়ে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) একটি গবেষণায় অনিরাপদ ও লবণাক্ত পানি, পানির সংকট, দুর্বল স্যানিটেশন এবং পানি বিশুদ্ধ না করার মতো বিভিন্ন ঝুঁকি উঠে এসেছে। তবে এর কোনোটিই প্রাদুর্ভাবের কারণ ছিল—এমন প্রমাণ গবেষণায় পাওয়া যায়নি।
ইমামুল মুনতাসির, গবেষক দলের সদস্যকোনো কোনো পুকুরে শৌচাগারের বর্জ্য সরাসরি মিশতেও দেখা গেছে। আবার অনেক মানুষ পানি বিশুদ্ধ না করেই ব্যবহার করেন। এসব বিষয় জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের।‘চট্টগ্রামে ২০২৩ সালের কলেরা প্রাদুর্ভাবের মৌসুমি প্রবণতা, পরিবেশগত কারণ ও তা থেকে পাওয়া শিক্ষা’ শিরোনামের গবেষণাটি গত ২৫ জুলাই আন্তর্জাতিক সাময়িকী হেলথ সায়েন্স রিপোর্টসে প্রকাশিত হয়। গবেষক দলে আইইডিসিআর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১ জন গবেষক রয়েছেন।
গবেষক দলের ইমামুল মুনতাসির প্রথম আলোকে বলেন, ‘নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করা না গেলে ডায়রিয়া ও কলেরার ঝুঁকি থেকেই যাবে। আমাদের অনুসন্ধানে নলকূপ ও পুকুরের পানিতে দূষণের চিত্র পাওয়া গেছে। কোনো কোনো পুকুরে শৌচাগারের বর্জ্য সরাসরি মিশতেও দেখা গেছে। আবার অনেক মানুষ পানি বিশুদ্ধ না করেই ব্যবহার করেন। এসব বিষয় জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের।’
গবেষকেরা জানান, রোগীদের নমুনায় পাওয়া জীবাণু ছিল মহামারি সৃষ্টিকারী ‘ও ১ ও গাওয়া’ ধরনের। তবে রোগী ও পানিতে পাওয়া জীবাণুর মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক যাচাইয়ে জিনগত পরীক্ষা করা হয়নি। তাই পশ্চিম গোমদণ্ডীর পরীক্ষিত পানি থেকেই রোগীরা সংক্রমিত হয়েছেন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি গবেষকেরা।
ইমামুল মুনতাসির বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ, পানির মান নিয়মিত পরীক্ষা এবং স্যানিটেশনব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। বিশেষ করে ডায়রিয়া-কলেরার ওপর চলমান রোগতাত্ত্বিক নজরদারির পাশাপাশি পরিবেশগত নজরদারিও বাড়ানো দরকার।’
দেড় মাসে প্রায় আট হাজার রোগী
চট্টগ্রামে তীব্র ডায়রিয়া বেড়ে যাওয়ার খবর ২০২৩ সালের ৬ মে আইইডিসিআরকে জানান চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন। পরদিন আইইডিসিআরের একটি দল চট্টগ্রামে এসে অনুসন্ধান শুরু করে। তবে রোগী বাড়তে শুরু করেছিল এপ্রিলেই। প্রথম সপ্তাহে আনোয়ারা ও পটিয়ায়, দ্বিতীয় সপ্তাহে চট্টগ্রাম নগরে এবং তৃতীয় সপ্তাহে বোয়ালখালী ও চন্দনাইশে রোগী বাড়তে থাকে।
১ এপ্রিল থেকে ১৫ মে পর্যন্ত পটিয়ায় ১ হাজার ৫৯৬ জন, বোয়ালখালীতে ১ হাজার ৮৭, আনোয়ারায় ১ হাজার ৩৯ এবং চন্দনাইশে ১ হাজার ৩৩ জন ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। একই সময়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ হাজার ৩৩৪ এবং বিআইটিআইডিতে ১ হাজার ৮৬৭ জন ভর্তি হন। সব মিলিয়ে রোগীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৯৫৬।
এর মধ্যে ১৬৬ রোগীর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন গবেষকেরা। তাঁদের ৭০ জন চট্টগ্রাম নগরের এবং ৯৬ জন উপজেলার। সবচেয়ে বেশি, ৩৯ শতাংশ রোগীর বয়স ছিল ১৮ থেকে ৪০ বছর। ১৬৬ জনের সবারই পানির মতো পাতলা পায়খানা হয়েছিল। ৮৫ শতাংশের বমিও হয়েছিল।
২৩ রোগীর মলের নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জনের নমুনায় ভিব্রিও কলেরি বা কলেরার জীবাণু পাওয়া যায়। অর্থাৎ ওই প্রাদুর্ভাবের সময় রোগীদের মধ্যে কলেরার জীবাণু থাকার পরীক্ষাগারভিত্তিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
কয়েক সপ্তাহ ধরে নগর ও একাধিক উপজেলায় রোগী বেড়েছিল। গবেষকদের মতে, এ ধরনের চিত্র একটি উৎস থেকে হঠাৎ রোগ ছড়ানোর চেয়ে বারবার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ উৎসের সংস্পর্শে আসার ইঙ্গিত দেয়। তবে কে কোন উৎস থেকে সংক্রমিত হয়েছেন, তা গবেষণায় বের করা হয়নি।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত জেলায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ৬০২ জন। মাসে গড়ে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩ হাজার ৩২৫ জন। শুধু আগস্টে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৮১ জন।
নলকূপ-পুকুরে দূষণ
হাসপাতালের তথ্যের পাশাপাশি পানির উৎস ও স্যানিটেশন পরিস্থিতিও দেখেন গবেষকেরা। বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডীর তিনটি নলকূপ ও পাঁচটি পুকুর থেকে মোট আটটি পানির নমুনা নেওয়া হয়। সেগুলো পরীক্ষা করা হয় আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) পরিবেশ পরীক্ষাগারে।
তিনটি নলকূপের দুটির পানিতে বিপুল পরিমাণ কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়। পানিতে কলিফর্মের উপস্থিতি দূষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। একটি নলকূপের প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানিতে কলিফর্ম ছিল ৮ লাখ ৮০ হাজার। পাঁচটি পুকুরের সব কটিতেই কলিফর্ম পাওয়া যায়। একটি পুকুরে প্রতি ১০০ মিলিলিটারে এর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার।
মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে গবেষকেরা কিছু পুকুরে শৌচাগারের বর্জ্য সরাসরি মিশতেও দেখেছেন। তবে এসব দূষিত পানি পান করেই রোগীরা অসুস্থ হয়েছেন—এমন সম্পর্ক গবেষণায় প্রমাণ করা হয়নি। একটি নলকূপ ও পাঁচটি পুকুরের সব কটিতে ভিব্রিও কলেরি ব্যাকটেরিয়াও পাওয়া যায়। তবে পানিতে পাওয়া জীবাণুর ধরনটি সাধারণত মহামারি আকারে কলেরা ছড়ায় না।
গবেষকেরা জানান, রোগীদের নমুনায় পাওয়া জীবাণু ছিল মহামারি সৃষ্টিকারী ‘ও ১ ও গাওয়া’ ধরনের। তবে রোগী ও পানিতে পাওয়া জীবাণুর মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক যাচাইয়ে জিনগত পরীক্ষা করা হয়নি। তাই পশ্চিম গোমদণ্ডীর পরীক্ষিত পানি থেকেই রোগীরা সংক্রমিত হয়েছেন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি গবেষকেরা।
পানির নমুনার ক্ষেত্রেও গবেষণাটির সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রাদুর্ভাব হয়েছিল চট্টগ্রাম নগরসহ চার উপজেলায়। অথচ আটটি পানির নমুনাই নেওয়া হয়েছিল পশ্চিম গোমদণ্ডী থেকে। গবেষকেরা জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে সময় ও সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে নমুনা সংগ্রহ ওই এলাকাতেই সীমিত রাখতে হয়েছিল।
শৌচাগারের পাশে নলকূপ
পশ্চিম গোমদণ্ডীতে স্থানীয় বাসিন্দারা যেসব নলকূপকে ‘গভীর নলকূপ’ বলতেন, সেগুলোর গভীরতা সাধারণত ২৫০ ফুটের বেশি ছিল না। কিছু নলকূপ ছিল শৌচাগারের কাছাকাছি। পুকুরগুলো গোসল, কাপড় ধোয়াসহ দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করতেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিছু পুকুরের পানি ছিল দৃশ্যত নোংরা। কোনো কোনো পুকুরে শৌচাগারের বর্জ্য সরাসরি গিয়ে পড়ছিল।
উপজেলার ৯৬ রোগীর মধ্যে ৫৫ জনের খাবার পানির প্রধান উৎস ছিল গভীর নলকূপ। ৩৮ জন সাধারণ নলকূপের পানি পান করতেন। আর গৃহস্থালির কাজে ৫৩ জন বা ৫৫ শতাংশ পুকুরসহ ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার করতেন। ৯৬ জনের মধ্যে ৮০ জন বা ৮৩ শতাংশ পানি বিশুদ্ধ করতেন না।
পরীক্ষা করা পানিতে লবণাক্ততারও তারতম্য ছিল। নলকূপের পানিতে প্রতি লিটারে লবণাক্ততা ছিল ২১০ থেকে ২৩৫ মিলিগ্রাম। পুকুরে ছিল ২৮৩ থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩২০ মিলিগ্রাম। পাঁচটি পুকুরের মধ্যে দুটিতে লবণাক্ততা প্রতি লিটারে এক হাজার মিলিগ্রামের বেশি ছিল।
গবেষণায় বলা হয়েছে, শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে যায়। তখন লবণাক্ততা ও নিরাপদ পানির সংকট বাড়লে মানুষ বিকল্প পানির উৎস ব্যবহার করতে বাধ্য হতে পারেন। এর মধ্যে অনিরাপদ উৎসও থাকতে পারে।
২০২৩ সালের প্রাদুর্ভাবটিও হয়েছিল বর্ষার আগের শুষ্ক সময়ে। আগের পাঁচ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা চট্টগ্রামে ডায়রিয়া বাড়ার দুটি সময় পেয়েছেন—এপ্রিল থেকে জুন এবং আগস্ট থেকে অক্টোবর।
ওয়াসার পানি পরীক্ষা হয়নি
নগরের ৭০ রোগীর মধ্যে ৩৮ জন বা ৫৪ শতাংশ খাবার পানির প্রধান উৎস হিসেবে চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির কথা বলেছেন। ২২ জন গভীর নলকূপ, ৬ জন সাধারণ নলকূপ এবং ৪ জন বোতলজাত পানি ব্যবহার করতেন। ৭০ জনের মধ্যে ৩৭ জন বা ৫৩ শতাংশ পানির সংকটের কথা জানিয়েছেন। ৩৩ জন বা ৪৭ শতাংশ পানি বিশুদ্ধ করতেন না। তবে ওয়াসার পানি থেকে রোগ ছড়িয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত এসব তথ্য থেকে দেওয়া যায় না। কারণ, গবেষকেরা ওয়াসার সরবরাহ করা পানির কোনো নমুনা পরীক্ষা করেননি।
গবেষণায় অনিয়মিত পানি সরবরাহকে সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরবরাহ বন্ধ হলে পাইপের ভেতরের পানির চাপ কমে যেতে পারে। পাইপে ফুটো বা ক্ষতি থাকলে তখন বাইরের দূষিত পানি ভেতরে ঢোকার ঝুঁকি তৈরি হয়।
গবেষকেরা জানান, নগরের ৫৩ শতাংশ রোগী পানির সংকটের কথা বলায় অনিয়মিত সরবরাহকে সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তবে এর সঙ্গে রোগের সরাসরি সম্পর্ক পরীক্ষা করে প্রমাণ করা হয়নি।
একক কারণ চিহ্নিত হয়নি
২০২৩ সালের প্রাদুর্ভাবের জন্য কোনো একটি পানির উৎস বা একক কারণ চিহ্নিত করেননি গবেষকেরা। অনিরাপদ পানির উৎস, পানির সংকট, লবণাক্ততা, দুর্বল স্যানিটেশন এবং পানি বিশুদ্ধ না করার মতো একাধিক ঝুঁকি একই সময়ে ছিল।
গবেষকেরা জানান, এটি ছিল জরুরি প্রাদুর্ভাব তদন্তভিত্তিক বর্ণনামূলক গবেষণা। সহজ করে বললে, তাঁরা কোথায় ও কখন রোগী বেড়েছে, রোগীদের পানির উৎস কী ছিল এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিবেশ ও পানির পরিস্থিতি কেমন ছিল—এসব তথ্য সংগ্রহ করেছেন। কোনো একটি বিষয়ই রোগের কারণ ছিল কি না, তা আলাদাভাবে পরীক্ষা করা হয়নি।
ভবিষ্যতে এমন প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ, পানির উৎস ও পাইপলাইনের পানি নিয়মিত পরীক্ষা এবং স্যানিটেশনব্যবস্থার উন্নয়নের সুপারিশ করেছেন গবেষকেরা। বর্ষার আগেই ডায়রিয়া-কলেরা মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়ার কথাও বলেছেন তাঁরা।
‘সতর্ক হতে হবে’
গবেষণার ফলাফল নিয়ে কথা হয় চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক সেখ ফজলে রাব্বির সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ডায়রিয়া ও কলেরার মতো পানিবাহিত রোগ ঠেকাতে সবার আগে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে হবে। শুধু পান করার নয়, রান্না ও খাবার তৈরির পানিও নিরাপদ হতে হবে।
ফজলে রাব্বি বলেন, গ্রামাঞ্চলে নলকূপ বসানোর সময় শৌচাগার ও পয়োবর্জ্যের উৎস থেকে নিরাপদ দূরত্ব রাখতে হবে। শৌচাগারের বর্জ্য কোনোভাবেই পুকুর বা অন্য পানির উৎসে পড়তে দেওয়া যাবে না। বাসাবাড়ির পানির ট্যাংকও নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
সেখ ফজলে রাব্বি আরও বলেন, কোনো এলাকায় হঠাৎ ডায়রিয়া রোগী বাড়লে শুধু রোগীর চিকিৎসা করলেই হবে না। ওই এলাকার খাবার পানির উৎস, পানির ট্যাংক ও স্যানিটেশনব্যবস্থাও দ্রুত পরীক্ষা করতে হবে। এতে দূষণের সম্ভাব্য উৎস শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।